লিথুয়ানিয়া বেলারুশ থেকে পাঠানো চোরাচালানকারী বেলুনের কারণে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে। এসব বেলুনে সিগারেট বহন করে আকাশপথ দিয়ে লিথুয়ানিয়ায় পাঠানো হচ্ছিল, যা সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে বেসামরিক বিমান চলাচলে মারাত্মক বিঘ্ন সৃষ্টি করেছে। বেলুনের ঝুঁকির কারণে রাজধানী ভিলনিয়াস বিমানবন্দর সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
লিথুয়ানিয়া অভিযোগ করেছে যে এটি বেলারুশের পক্ষ থেকে এক ধরনের “হাইব্রিড আক্রমণ”। দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ভ্লাদিস্লাভ কন্দ্রাতোভিচ জানান, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থেই জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। সরকার পার্লামেন্টের কাছে সেনাবাহিনীকে অতিরিক্ত ক্ষমতা দেওয়ার অনুরোধ করেছে—যার মধ্যে রয়েছে সীমান্ত এলাকায় প্রবেশ সীমিত করা, যানবাহন ও ব্যক্তিগত জিনিসপত্র তল্লাশি, সন্দেহভাজনদের আটক, ইত্যাদি।
প্রতিরক্ষামন্ত্রী রবার্ট কাউনাস জানান, প্রয়োজনে এসব কার্যক্রমে সামরিক বাহিনী বলপ্রয়োগ করতে পারবে।
অন্যদিকে বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কো এ অভিযোগ অস্বীকার করে লিথুয়ানিয়াকে বিষয়টি “রাজনীতিকরণ” করার অভিযোগ তুলেছেন। তিনি দাবি করেন, এসব বেলুন বেসামরিক বিমান চলাচলে কোনো হুমকি সৃষ্টি করে না।
ইউরোপীয় কমিশন প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন পরিস্থিতিকে “সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য” বলে উল্লেখ করেছেন এবং লিথুয়ানিয়ার নিরাপত্তা উদ্বেগের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন।
জরুরি অবস্থা কতদিন চলবে, তা লিথুয়ানিয়া সরকার পরবর্তী সিদ্ধান্তে জানাবে।



