সোমালিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী আহমেদ মোয়ালিম ফিকি অভিযোগ করেছেন, ইসরায়েল গাজার ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক বিচ্ছিন্ন অঞ্চল সোমালিল্যান্ডে স্থানান্তরের পরিকল্পনা করছে। আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এ বিষয়ে সোমালিয়ার কাছে “নিশ্চিত তথ্য” রয়েছে এবং এটি আন্তর্জাতিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন।
ফিকির এই মন্তব্য আসে এমন এক সময়ে, যখন গত ডিসেম্বর ইসরায়েল সোমালিল্যান্ডকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়—যা এখনো জাতিসংঘের স্বীকৃতি পায়নি। ইসরায়েল ও সোমালিল্যান্ড উভয়ই ফিলিস্তিনিদের পুনর্বাসনের অভিযোগ অস্বীকার করেছে। ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদেওন সার বলেছেন, ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক স্থানান্তর তাদের কোনো চুক্তির অংশ নয়।
তবে সোমালিয়ার প্রেসিডেন্ট হাসান শেখ মোহামুদ দাবি করেছেন, ইসরায়েল সোমালিল্যান্ডের কাছে তিনটি শর্ত দিয়েছিল—ফিলিস্তিনিদের পুনর্বাসন, আদেন উপসাগরে সামরিক ঘাঁটি স্থাপন এবং আব্রাহাম চুক্তিতে যোগদান। ফিকি ইসরায়েলের এই স্বীকৃতিকে সোমালিয়ার সার্বভৌমত্বের ওপর সরাসরি আঘাত বলে আখ্যা দেন এবং তা প্রত্যাহারের আহ্বান জানান।
এদিকে, ইসরায়েল-সোমালিল্যান্ড সম্পর্কের নিন্দা জানিয়ে ২২টি দেশ ও ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি) যৌথ বিবৃতি দিয়েছে। ওআইসি সৌদি আরবে এক জরুরি বৈঠকে ইসরায়েলের পদক্ষেপের নিন্দা জানিয়ে প্রস্তাব গ্রহণ করেছে।



