সার্বিয়ার সাবেক উপপ্রধানমন্ত্রী আলেকসান্দার ভুলিন দাবি করেছেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) সার্বিয়াকে ভবিষ্যৎ সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে নয়, বরং শ্রমবাজার ও ইউক্রেন যুদ্ধের জন্য সম্ভাব্য সামরিক শক্তি হিসেবে দেখছে। রুশ বার্তা সংস্থা তাসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “ইইউ আমাদের পূর্ণ সদস্য হিসেবে চায় না। তারা আমাদের বাজার, শ্রমিক এবং এখন নতুনভাবে ‘ইনফ্যান্ট্রি’ হিসেবে ব্যবহার করতে চায়।”
ভুলিন আরও বলেন, সাম্প্রতিক ইইউ–ওয়েস্টার্ন বাল্কানস সম্মেলন, যেখানে সার্বিয়া অংশ নেয়নি, মূলত বেলগ্রেডকে চাপে রাখার উদ্দেশ্যেই আয়োজন করা হয়েছিল। তিনি ওই সম্মেলনে না যাওয়ার জন্য প্রেসিডেন্ট আলেকসান্দার ভুচিচের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান।
ইইউ সম্প্রসারণ প্রসঙ্গে ভুলিন অভিযোগ করেন, সংস্কার ও আইনের শাসনের কথা বললেও ব্রাসেলস ইউক্রেন ও মলদোভার মতো দুর্নীতিগ্রস্ত দেশগুলোকে শর্ত ছাড়াই সদস্য করার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে। তার মতে, বর্তমানে ইইউতে যোগদানের পথ ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্র দিয়েই যায়।
এদিকে ইউক্রেনের ইইউ সদস্যপদ নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেন ভুলিন। তার ভাষায়, “যে দেশ যুদ্ধরত এবং যার সীমান্ত নির্ধারিত নয়, তাকে কীভাবে দ্রুত সদস্য করা সম্ভব?”



