গাজা যুদ্ধবিরতির আলোচনার মধ্যেই পরিস্থিতি আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। হামাস আরও চারজন ইসরায়েলি নিহত বন্দির লাশ আন্তর্জাতিক রেড ক্রসের কাছে হস্তান্তর করেছে। এ নিয়ে মোট আটজন নিহত বন্দির লাশ ইসরায়েলকে ফেরত দেওয়া হয়েছে।
তবে ইসরায়েল জানিয়েছে, তারা গাজায় প্রবেশের জন্য অনুমোদিত ত্রাণ ট্রাকের সংখ্যা অর্ধেকে নামিয়ে আনবে এবং রাফাহ সীমান্ত ক্রসিং খোলার সিদ্ধান্ত স্থগিত রেখেছে। তাদের দাবি, নিহত বন্দিদের লাশ হস্তান্তর বিলম্বিত হওয়ায় এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে প্রায় ২০ জন নিহত বন্দির মরদেহ এখনও গাজায় রয়েছে।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হামাসকে নিরস্ত্র হওয়ার আহ্বান জানিয়ে সতর্ক করেছেন, “যদি তারা নিরস্ত্র না হয়, তবে আমরাই তাদের নিরস্ত্র করব — এবং তা হবে দ্রুত ও প্রয়োজনে সহিংসভাবে।”
অন্যদিকে, সোমবার ইসরায়েলি কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়া ফিলিস্তিনি নাগরিক মোহাম্মদ আসালিয়া ইসরায়েলি হেফাজতে নির্যাতনের কারণে গাজা সিটির হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
গাজার স্বাস্থ্যকর্মীরা জানিয়েছেন, ইসরায়েল এখনও বিদেশি চিকিৎসক ও স্বেচ্ছাসেবকদের প্রবেশের অনুমতি প্রায় পুরোপুরি আটকে রেখেছে।
এদিকে, ইতালির উদিনে শহরে ইসরায়েলের বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে অংশগ্রহণের বিরুদ্ধে এক বিক্ষোভে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শান্তিপূর্ণ মিছিলের শেষদিকে এই সংঘর্ষে অন্তত কয়েকজন আহত হয়েছেন।
গাজার পরিস্থিতি ক্রমেই মানবিক সংকটে পরিণত হচ্ছে, যেখানে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের দুর্ভোগও বাড়ছে।



